চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির হাইভোল্টেজ ম্যাচে পাকিস্তানকে ৬ উইকেটে হারিয়ে সেমিফাইনালে যাওয়ার পথ প্রশস্ত করল ভারত। পরপর দুই ম্যাচে হেরে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি থেকে কার্যত বিদায় নিল পাকিস্তান। এদিন প্রথমে ব্যাট করে পাকিস্তান ২৪১ রানে অল আউট হয়ে যায়। জবাবে ব্যাট করে ৪ উইকেট হারিয়ে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায় ভারত।
এদিন টসে জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন রিজওয়ান। বাবর আজম এবং ইমাম উল হক ৪১ রানের পার্টনারশিপ গড়েন। বাবরকে আউট করে পাকিস্তানকে প্রথম ধাক্কা দেন হার্দিক। কিছুক্ষণের মধ্যেই রান আউট হয়ে ফিরে যান ইমামও। তবে রিজওয়ান এবং শাকিল ম্যাচের হাল ধরেন। ১০০ রানের পার্টনারশিপ গড়লেও রান তোলার গতি ছিল অত্যন্ত স্লথ। এদিনের সবথেকে সফল বোলার কুলদীপ যাদব। ন’ওভারে ৪০ রান দিয়ে তিনটি উইকেট নিলেন তিনি। হার্দিক নিয়েছেন দুটি, সামি বাদে বাকি বোলাররা নেন একটি করে উইকেট। ২৪১ রানেই অলআউট হয়ে যায় পাকিস্তান।
২৪২ রানের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে ব্যাট করতে নামেন রোহিত শর্মা ও শুভমান গিল। শুরুতেই রোহিতের উইকেট হারায় ভারত। কিন্তু ১৫ বলে ২০ রান করে পাকিস্তানের চাপটা তৈরি করে দিয়েছিলেন তিনিই। রোহিতকে আউট করেন শাহিন শাহ আফ্রিদি। পাক পেসারের ইয়র্কারে ছিটকে যায় ভারত অধিনায়কের স্টাম্প। কোহলি নেমে শুভমন গিলের সঙ্গে ধীরে সুস্থে জুটি গড়তে শুরু করেন। তাঁরা ৬৯ রানের জুটি গড়েন। গত ম্যাচে শতরান করা শুভমন এ বারে ৪৬ রানে আউট হয়ে যান।
কোহলি বাকি দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নেন। কোনও তাড়াহুড়ো করেননি তিনি। শ্রেয়স আয়ারকে (৫৬) সঙ্গী করে ভারতকে জয়ের পথে এগিয়ে নিয়ে গেলেন। ম্যাচ জিতিয়ে মাঠ ছাড়লেন। অপরাজিত রইলেন ১০০ রানে। এদিন তাঁর ব্যাট থেকে বেরোল একদিনের ক্রিকেটে ৫১ নম্বর শতরান এবং আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ৮২ নম্বর শতরান।
একটা সময় এমন জায়গায় খেলাটা চলে গিয়েছিল যেখানে ভারতের জয়টা নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল, কিন্তু প্রশ্ন ছিল কোহলি শতরান করতে পারবেন কিনা। সেই প্রশ্নের উত্তর দিলেন কোহলি নিজেই। খুশদিলকে কভার দিয়ে চার মেরে শতরান করলেন তিনি। এই জয়ের পর সেমিফাইনাল একপ্রকার নিশ্চিত করে ফেললেন রোহিতরা।

কোন মন্তব্য নেই: