রসাখোয়া টাইমস নিউজ
ফ্যাশন জগত থেকে ক্যাবিনেট মন্ত্রী
ঘরের মেয়ে’ অগ্নিমিত্রার উত্থানে উচ্ছ্বসিত দুর্গাপুরের পৈতৃক বাড়ি
নিজস্ব সংবাদদাতা:
রাজ্যের নতুন বিজেপি সরকারের মন্ত্রিসভায় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পেয়েছেন আসানসোল দক্ষিণের বিধায়িকা Agnimitra Paul। আর সেই খবরে আনন্দে ভাসছে শিল্পশহর দুর্গাপুর। একসময় ফ্যাশন জগতের পরিচিত মুখ থাকা অগ্নিমিত্রা পল আজ নবান্নের প্রথম সারির মন্ত্রী— এই সাফল্যে গর্বিত তাঁর পরিবার থেকে শুরু করে গোটা পাড়া।
গোপালমাঠে উৎসবের আবহ
দুর্গাপুরের গোপালমাঠে অবস্থিত অগ্নিমিত্রা পলের পৈতৃক বাড়িতে এখন কার্যত উৎসবের পরিবেশ। বাড়ির সামনে ভিড় করছেন পাড়া-প্রতিবেশী, শুভানুধ্যায়ী ও বিজেপি কর্মীরা। চলছে মিষ্টি বিতরণ ও শুভেচ্ছা বিনিময়।
পরিবারের সদস্যদের কথায়, “ঘরের মেয়ে আজ রাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পেয়েছে, এর থেকে বড় আনন্দ আর কিছু হতে পারে না।”
টিভির পর্দায় দেখলেন শপথ গ্রহণ
বর্তমানে বাড়িতেই থাকেন অগ্নিমিত্রার বাবা-মা ও জ্যাঠা-জেঠিমা। বয়সজনিত অসুস্থতার কারণে তাঁরা শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে না পারলেও, টেলিভিশনের পর্দায় সেই মুহূর্ত দেখে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন।
পরিবারের তরফে জানানো হয়েছে, অগ্নিমিত্রা যাতে আরও দক্ষতার সঙ্গে কাজ করতে পারেন এবং মানুষের পাশে দাঁড়াতে পারেন, সেই আশীর্বাদই করছেন সকলে।
অরাজনৈতিক পরিবার থেকে রাজনীতির মঞ্চে
স্থানীয়দের মতে, সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক পরিবেশ থেকে উঠে এসে রাজ্যের মন্ত্রী হওয়া মোটেই সহজ পথ ছিল না।
একসময় স্বনামধন্য ফ্যাশন ডিজাইনার হিসেবে পরিচিত ছিলেন Agnimitra Paul। পরে সক্রিয় রাজনীতিতে যোগ দেন এবং ধীরে ধীরে বিজেপির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মুখ হয়ে ওঠেন।
ঘরের মেয়ের সাফল্যে গর্বিত
গোপালমাঠ এলাকার বাসিন্দাদের একাংশের বক্তব্য, অগ্নিমিত্রার সাফল্য শুধুমাত্র তাঁর পরিবারের নয়, গোটা দুর্গাপুরের গর্ব।
এক প্রতিবেশীর কথায়,
“ও ছোটবেলা থেকেই খুব পরিশ্রমী ছিল। আজ মন্ত্রী হওয়ায় আমরা সত্যিই খুশি।”
বড় দায়িত্ব নতুন মন্ত্রীর কাঁধে
নতুন মন্ত্রিসভায় নারী ও শিশুকল্যাণ এবং পুর ও নগরোন্নয়ন দফতরের দায়িত্ব পেয়েছেন অগ্নিমিত্রা পল।
রাজনৈতিক মহলের মতে, শিল্পাঞ্চলের ‘ঘরের মেয়ে’র হাতে এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব তুলে দিয়ে মহিলা নেতৃত্বকে আরও সামনে আনতে চাইছে বিজেপি সরকার।
এখন নজর কাজের দিকে
শপথ গ্রহণ ও দফতর পাওয়ার পর এখন নজর অগ্নিমিত্রা পলের প্রশাসনিক কাজের দিকে।
দুর্গাপুরের মানুষও আশা করছেন, রাজ্যের পাশাপাশি নিজের এলাকার উন্নয়নেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবেন তাঁদের ‘ঘরের মেয়ে’।

কোন মন্তব্য নেই: