About

ছোটবেলার শুভেন্দুকে নিয়ে আবেগঘন স্মৃতিচারণ কাকিমার, মুখ্যমন্ত্রী হওয়ায় গর্বিত পরিবার

“ভীষণ জেদি আর শান্ত ছিল...”

ছোটবেলার শুভেন্দুকে নিয়ে আবেগঘন স্মৃতিচারণ কাকিমার, মুখ্যমন্ত্রী হওয়ায় গর্বিত পরিবার

নিজস্ব সংবাদদাতা:

দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রাম, টানা লড়াই এবং একাধিক বড় রাজনৈতিক জয়ের পর অবশেষে বাংলার নবম মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন Suvendu Adhikari। দেশের রাজনীতিতে ‘জায়ান্ট কিলার’ নামে পরিচিত এই নেতার রাজনৈতিক সাফল্যের মুহূর্তে আবেগে ভাসছে তাঁর পরিবার এবং গ্রামের মানুষ।

গ্রামের বাড়িতে উৎসবের আবহ

পূর্ব মেদিনীপুর জেলার এগরা থানার মাধব সানকি বাড় গ্রামে শুভেন্দু অধিকারীর পৈতৃক ভিটেতে এখন উৎসবের পরিবেশ। শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে না পারলেও গ্রামের বাড়িতে বসেই টেলিভিশনের পর্দায় ভাইপোকে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দেখতে পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন তাঁর কাকিমা।

“চুল কাটতে ভয় পেত”

সংবাদমাধ্যমের সামনে শুভেন্দুর ছোটবেলার নানা স্মৃতি তুলে ধরেন তিনি। কাকিমার কথায়,
“ছোটবেলায় ভীষণ জেদি আর শান্ত ছিল ও। চুল কাটতে একদম চাইত না। বাড়িতে নাপিত এলে ভয়ে লুকিয়ে থাকত।”
সেই ছোট্ট ছেলেটাই আজ গোটা বাংলার মুখ্যমন্ত্রী— এই ভাবনাতেই গর্বিত পরিবারের সদস্যরা।

এখনও যায় গ্রামের টাটকা দুধ

পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, আজও পৈতৃক বাড়ি থেকে নিয়মিত টাটকা গরুর দুধ পাঠানো হয় কাঁথির ‘শান্তিকুঞ্জ’ বাসভবনে। গ্রামের সঙ্গে শুভেন্দুর যোগ এখনও অটুট বলেই জানিয়েছেন আত্মীয়রা।

স্বাধীনতা সংগ্রামীর আদর্শে বড় হওয়া

মাধব সানকি বাড় গ্রামের এই বাড়ির সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে ইতিহাসও। শুভেন্দু অধিকারীর দাদু Bipin Adhikari ছিলেন একজন স্বাধীনতা সংগ্রামী। পরিবারের দাবি, দাদুর আদর্শ, লড়াইয়ের মানসিকতা এবং জনসেবার শিক্ষা ছোটবেলা থেকেই শুভেন্দুর চরিত্র গঠনে বড় ভূমিকা নিয়েছে।
এলাকার মানুষের কথায়,
“মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মানসিকতা ও নেতৃত্বের গুণ ওর রক্তেই রয়েছে।”

গর্বিত মা গায়ত্রী দেবী

ছেলে মুখ্যমন্ত্রী হওয়ায় আবেগাপ্লুত Gayetri Adhikari-ও। তিনি বলেন,
“ছেলেকে বলব ভালভাবে কাজ করো। খুব ভাল লাগছে।”

আলোচনার কেন্দ্রে ছোট্ট গ্রাম

একসময়ের শান্ত গ্রাম মাধব সানকি বাড় আজ রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। গ্রামের মানুষ থেকে প্রতিবেশী— সকলেই আনন্দে মেতে উঠেছেন।
একজন গ্রামের ছেলে থেকে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী— শুভেন্দু অধিকারীর এই উত্থান এখন গোটা এলাকার গর্বের গল্প।

কোন মন্তব্য নেই:

'; (function() { var dsq = document.createElement('script'); dsq.type = 'text/javascript'; dsq.async = true; dsq.src = '//' + disqus_shortname + '.disqus.com/embed.js'; (document.getElementsByTagName('head')[0] || document.getElementsByTagName('body')[0]).appendChild(dsq); })();
Blogger দ্বারা পরিচালিত.